Artificialy intelligence, crime!!!
আল্লাহ মানুষ কে আশরাফুল মাকলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করেছেন।
 অর্থাৎ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রাণী।  কম্পিউটার মানুষ কে নিয়ন্ত্রণ করে না
মানুষ কম্পিউটার কে নিয়ন্ত্রণ করে।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, artificiality arms,artificialy crime, ব্যবহার অপরাধীদের স্বর্গ রাজ্য তৈরী করে। যারা উচ্চ পর্যায়ের মানুষ জড়িত।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) হলো এমন এক প্রযুক্তি যা মেশিন বা কম্পিউটারকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, শিখতে, সমস্যা সমাধান করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে তোলে, যেখানে এটি ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং অভিজ্ঞতা থেকে নিজের অ্যালগরিদম উন্নত করতে পারে, যেমন স্মার্টফোনের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট (Siri, Google Assistant) বা স্বয়ংক্রিয় গাড়িগুলো এর উদাহরণ। এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে মানুষের জ্ঞানীয় ক্ষমতা, যেমন ভাষা বোঝা, প্যাটার্ন শনাক্তকরণ এবং যুক্তি প্রয়োগের অনুকরণ করা হয়। 
কীভাবে কাজ করে:
  • শেখা (Learning): বিশাল ডেটাসেট থেকে প্যাটার্ন ও নিয়ম শিখে।
  • যুক্তি প্রয়োগ (Reasoning): শেখা নিয়ম ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।
  • সমস্যা সমাধান (Problem-solving): পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সমাধান বের করা।
  • আত্ম-সংশোধন (Self-correction): নতুন তথ্য ও অভিজ্ঞতা থেকে নিজের কর্মক্ষমতা উন্নত করা। 
উদাহরণ:
  • ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট: আপনার ফোনের Siri, Google Assistant।
  • সুপারিশ সিস্টেম: Netflix, YouTube-এ আপনার পছন্দের ওপর ভিত্তি করে ভিডিও বা মুভি দেখানো।
  • স্বয়ংক্রিয় গাড়ি: পথ চিনে নিজে চলতে পারা।
  • স্প্যাম ফিল্টার: ইমেইল থেকে অপ্রয়োজনীয় বার্তা আলাদা করা। 
সংক্ষেপে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মেশিনকে এমনভাবে বুদ্ধিমান করে তোলা যাতে তারা এমন কাজ করতে পারে যা আগে শুধুমাত্র মানুষের বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন হতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *