Artificially  Usages
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যবহার এখন স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, ব্যবসা, বিনোদন, পরিবহন, কৃষি ও জনসেবার মতো প্রায় সব ক্ষেত্রে বিস্তৃত, যা উন্নত সার্চ ইঞ্জিন (গুগল), ভার্চুয়াল সহকারী (সিরি, অ্যালেক্সা), সুপারিশ ব্যবস্থা (ইউটিউব, নেটফ্লিক্স), স্বচালিত যান, রোগ নির্ণয়, ডেটা বিশ্লেষণ, এবং স্বয়ংক্রিয় সৃজনশীল কাজে (ChatGPT) দেখা যায়, যা মানুষের কাজকে সহজ ও দক্ষ করে তুলছে। 
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান ব্যবহারসমূহ:
  • স্বাস্থ্যসেবা: রোগ নির্ণয় (ক্যানসার শনাক্তকরণ), এমআরআই বিশ্লেষণ, ওষুধ আবিষ্কারে সহায়তা।
  • শিক্ষা: ব্যক্তিগতকৃত শিখন অভিজ্ঞতা, শিক্ষকদের সহায়তা, এবং শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত পরিবর্তন।
  • ব্যবসা ও বাণিজ্য: ডেটা বিশ্লেষণ, প্রবণতা পূর্বাভাস, গ্রাহক পরিষেবা, এবং স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
  • বিনোদন ও মিডিয়া: সুপারিশ ব্যবস্থা, বিষয়বস্তু তৈরি, এবং বিজ্ঞাপন প্রদর্শন।
  • পরিবহন: স্বচালিত যানবাহন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, এবং নগর পরিকল্পনা।
  • কৃষি: স্মার্ট ফার্মিং, ফসলের রোগ নির্ণয়, এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা।
  • জনসেবা: সরকারি পরিষেবা বিতরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (বন্যা পূর্বাভাস), এবং অপরাধ প্রতিরোধে সহায়তা।
  • ভার্চুয়াল সহকারী: সিরি, অ্যালেক্সা, গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের মাধ্যমে দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন।
  • সৃজনশীলতা: চ্যাটজিপিটির মতো টুল ব্যবহার করে লেখা, কোডিং এবং অন্যান্য সৃজনশীল কাজ। 
  • বাংলাদেশে স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা, জনসেবা এবং টেলিযোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে এআই-এর প্রয়োগ দ্রুত বাড়ছে। 
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং বিভিন্ন জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়তা করে, যা একটি ডেটা-চালিত এবং স্মার্ট ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে। 
Jul 12, 2025 — প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে এআই-এর ব্যবহার প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, অর্থনীতি, শিক্ষা, জনসেবা এবং টেলিযোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুল…
Tech Talks Bangla

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *