সর্বশেষ সংবাদ
প্রচ্ছদ / সচেতনতা / নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রতি এমপি মোশারফেরঅফুরান ভালোবাসা

নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রতি এমপি মোশারফেরঅফুরান ভালোবাসা

নিজস্ব প্রতিবেদন ঃ

বগুড়া-৪ (কাহালু – নন্দীগ্রাম) নির্বাচনী এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসেন তার নির্বাচনী এলাকার মানুষকে সবসময় ভালবাসেন এবং সব সময় তাদের সুখে দুঃখে পাশে থাকেন। তিনি এলাকার বাইরে যখন থাকেন তখনও তিনি খোঁজ খবর নেন। এমন চিত্র প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়া সহ
গমাধ্যমে অহরহ চোখে পড়ে। এমনই একটি ঘটনা তিনি তার ফেসবুক পেইজে
বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, গত পরশু আমি সাইন্স ল্যাবরেটরী মোড় থেকে রিকশায় চড়ে বাসায় ফিরছিলাম। আমার মুখে মাক্স পরিহিত ছিল। রিক্সা ওয়ালা ভাইয়ের আঞ্চলিক ভাষা শুনে মনে হলো তার বাড়ী বগুড়ায়। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ভাই আপনার বাসা কোথায় ? উনি বললেন বগুড়ায়, আমি বললাম বগুড়া কোথায়? বললেন শেরপুর জামাইল বাজারের পাশে, আমি তখন বললাম যে পাশে তো বামিহাল,
দোলসেরা বাজার উনি তখন আমাকে বলছে স্যার আপনি তো সবই চিনেন, জামাল কোন গ্রামে বাড়ী ? তখন উনি বলল স্যার জামাল বাজারের পাশের গ্রামে। আমার বাড়ী হচ্ছে হুশিয়ার পাড়া গন্ধপুর আমি বললাম এতো ১নং বুড়ইল
ইউনিয়নের নন্দীগ্রাম থানা। উনি আমাকে বললেন আপনি দেখি সব চেনেন
আমি বললাম আপনার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কে ? উনি চেয়ারম্যান নাম বললেন। আমি বললাম আপনার নির্বাচনী এলাকার এমপির নাম কি তখন বললেন যে উনার নাম মোশারফ হোসেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম উনি কেমন লোক ? প্রতি উত্তরে বললো
ভালো । আমি বললাম আমরা তো শুনেছি উনি নাকি ভালো না ? তারপর জিজ্ঞাসা করলাম উনি নাকি আপনাদের নির্বাচনী এলাকায় সময় দেন না মানুষকে পাত্তা দেননা ? তখন উনি বললেন স্যার এটা ভুল কথা, অতীতের সবার চাইতে ভাল সময় দেয় এবং সুখে দুঃখে সবসময় এলাকার মানুষের পাশে থাকে। আমি উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম আপনি কি উনাকে কখনো দেখেছেন ? বললেন যে ভোটের সময় জনসভায় দেখেছিলাম। সরাসরি আপনি কথা বলেছেন ? বললো অনেক লোকের ভিড় ভাল ভাবে কথা বলা হয় নাই। আমি বললাম উনাকে

দেখলে কি চিনতে পারবেন? বললেন হ্যাঁ চিনতে পারব অবশ্যই। ইতিমধ্যে আমরা বাসার গেটে পৌঁছে গেলাম, বিল্ডিং এর সিকিউরিটি গার্ড কে ডাকলাম বললাম যে মোবাইলটা হাতে নাও আমার একটা ছবি তুলে দাও এই ভাইয়ের সাথে । যখন মুখ থেকে মাক্স নামালাম
সঙ্গে সঙ্গে উনি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, আপনি। আমি তো কল্পনাও করতে পারিনি যে আপনি আমার রিক্সায় উঠেছেন ? আমিও তাকে বুকে জড়িয়ে
ধরলাম। সে এক আবেগঘন পরিবেশ। আমি সাথে সাথে আমার কাছে যে
ফলমূল ছিল অনেকগুলো ফলমূল দিলাম, তাকে জড়িয়ে ধরে মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করলাম। সাধ্যমত কিছু টাকা পয়সা দিয়ে বললাম যদি কখনো কোনো
প্রয়োজন মনে করেন , আমি সময়ই আপনাদের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। আপনারাই আমার হৃদয়ের স্পন্দন। ওর নাম মোঃ মজনু পিতা আবুল হোসেন।

Advertisement

Check Also

ধূমপানমুক্ত বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী উপহার বিতরণ।

মোঃ সোহেল আরমান, নিজস্ব প্রতিবেদক,,, ধূমপান মুক্ত বাংলাদেশ চাই সোসাইটির পক্ষ থেকে করোনা মহামারীর কারণে …